জয় রাম
ভক্তের তাপ দগ্ধ হৃদয়ে সান্ত্বনা দানে,
শ্রীরাম ঠাকুর ভক্তদের পত্রের উত্তর লিখতেন,
ভক্তদের গ্রহণ করার সামর্থ্যের লক্ষ্য রেখে।
প্রচার বা প্রতিষ্ঠাবিহীন সে সব পত্র যদিও ব্যক্তিগত,
এদের অন্তর্নিহিত সত্য সার্বজনীন সবার গ্রহণ মত।
ভগবান থাকেন সকল ভক্তের সর্বভাবে কল্যাণে,
ঠাকুরের উপদেশ বা নির্দেশ তাই সহজ নিয়ম পালনে।
বেদবাণী সেই সব পত্রাবলির সংযোজন,ভাব প্রকাশ,
সত্যের কোন অংশ নাই,সত্য নিত্য নিরপেক্ষ মূল নির্য্যাস।
সমগ্র বেদবাণীতে মূলকথা একটাই ধৈর্য্যই ধর্ম্ম,সহায়,
নামই সারমর্ম যে যে-ভাবে চায় তার সেভাবেই উপায়।
একই সত্য গ্রহীতার গ্রহণোপযোগী করে নানাভাবে প্রকাশ,
ভক্তের ভিন্নতায় যার যেমন সংস্কার সে যেন তারই সহজাত।।
গুরু কৃপাহি কেবলম
জয় রাম
জয় গোবিন্দ 

শ্রী ভগবান উবাচ 


জয়রাম জয়গোবিন্দ 

জয় রাম জয় গোবিন্দl
"হে দয়াময় আমি অজ্ঞান-অধম-পথভ্রষ্ট-অসহায়-
বিবশ। তুমি নিজগুণে আমায় ক্ষমা কর,কৃপা করে তোমার শরণ দাও।"
জয় রাম 

গুরু কৃপাহি কেবলম্
রামময় শুভ সকাল
জয় রাম জয় গোবিন্দ
এই দেহটারে বাদ দিয়াও যে আমি আছি ,
সেটুকু কেন বিশ্বাস করেন না ?
গুরু বাক্যে অন্ধবিশ্বাস থাকা চাই ।
: - - শ্রীশ্রী রামঠাকুর ।
আমি এতক্ষণ কীর্ত্তনেই ছিলাম ।
সে সময় আমাদের দল কীর্ত্তন করিতে ছিল ।
আমি উপরের ঘরে গেলে শ্রীঠাকুর আমাকে বললেন ,
সুন্দর কীর্ত্তন করছিলেন ,
ছাইড়া আইলেন কেন্ ?
আমি উত্তর এড়াইয়া জিজ্ঞাসা করিলাম ,
হরিদাকে দেখে এখনি আবার চলে আসবেন না ?
শ্রীঠাকুর বললেন , কি কইরা বলুম ?
সে দিনও আপনারে বলছি উৎসব শেষ করতে ভাগ্যে দিলে
তবে তো ।
আজও দেখেন কি হয় ।
আমার পিতাঠাকুর বললেন ,
আমরা মনে করেছিলাম আপনারে নিয়া উৎসবের
আনন্দ করুম ।
এখন আপনি চইলা গেলে উৎসব কি রকম হইবে ?
শ্রীঠাকুর বললেন ,
আমি সর্বক্ষণ আছি এবং থাকুম ।
এই দেহটারে না দেখলে আপনেরা মনে
করেন আমি নাই ।
এই দেহটারে বাদ দিয়াও যে আমি আছি ,
সেটুকু কেন বিশ্বাস করেন না ?
গুরু বাক্যে অন্ধবিশ্বাস থাকা চাই ।
" জয়রাম "
ফনীন্দ্র কুমার মালাকার
" রামভাই স্মরণে "
পৃষ্টা সংখ্যা ৫১ হইতে ।
ওঁ নমঃ ভগবতে বাসুদেবায় :--
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা --অধ্যায় - ৬ /শ্লোক ৪৭ 
যোগিনামপি সর্বেষাং মদ্গতেনান্তরাত্মনা।
শ্রদ্ধাবান্ ভজতে যো মাং স মে যুক্ততমো মতঃ।।
অনুবাদ :-- পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণ বললেন ; "যিনি শ্রদ্ধা সহকারে মদ্গত চিত্তে আমার ভজনা করেন, তিনিই সবচেয়ে অন্তরঙ্গভাবে আমার সঙ্গে যুক্ত এবং তিনিই যোগীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। সেটিই আমার অভিমত।"
আগামী ৬ অক্টোবর সোমবার দিবা ১১টা ৫৩মিনিট ০সেকেন্ড পরবর্তী সময়ে পূর্ণিমা তিথি। (ভারতীয় সময় ৩০ মিনিট পূর্বে)
আগামী সোমবার ৬ অক্টোবর পূর্ণিমার উপবাস, শ্রীশ্রী কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা ও শ্রীশ্রী সত্যনারায়ণ পূজা ও ব্রত। শুধুমাত্র পূর্ণিমা তিথি দেখে নয়, নিয়ম মেনে #প্রদোষকালীন সময়ে শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ পূজা করুন।
প্রদোষ মানে সন্ধ্যা। ৫/৪৭ গতে রাত্রি ৭/২৩ মধ্যে শ্রীশ্রী কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা ও শ্রীশ্রী সত্যনারায়ণব্রতম।
জয় রাম। জয় গোবিন্দ। জয় সত্যনারায়ণ।
এই সংসার মায়াময়। মায়ার হাত হইতে ত্রাণের জন্য সর্ব্বদা সত্যের সঙ্গে থাকিয়া শক্তি আহরণ করিতে হয়। সেই শক্তি বলেই সকল লোকেরই বদ্ধ ঋণতাপাদি মুক্ত হইয়া থাকে। ঋণমুক্ত পদ পাইলে পরম শান্তিময় পরমানন্দরস ভগবদ্ভক্তি পূর্ণরুপে অবিচ্ছিন্নভাবে আবরণ করিয়া রাখে। কোন অভাব থাকে না,কামধেনুবৎ জাগ্রত থাকে। অনন্যচেতার কৃপায় এই সম্পদ সাধিত হয়। মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পতন। এই দৃঢ় প্রতিজ্ঞার আশ্রয় নিয়া,প্রলোভনের এবং শাসনের অধীন না হইয়া,সর্ব্বতোভাবে অনন্যচেতা হইয়া কর্য্যের অনুষ্ঠান করিতে করিতে সক্ষম শক্তি প্রাপ্ত হয়। তাহাতে কোন সংশয় নাই। নিত্যকর্ম্ম ভূলিতে নাই। লাভ হউক আর না-ই হউক,অল্পই হউক আর বেশীই হউক,সেদিকে লক্ষ্য না নিয়া কেবলমাত্র করিতে থাকিবে। কর্ম্ম করিতে করিতে সৎসঙ্গ করিয়া নিবে। ধর্ম্মই নিত্যব্রত।
বেদবাণী (২/১১০)
শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর
লোকের ভাগ্যগতিকেই নানান উপসর্গে পড়িয়া থাকে,সেইজন্য চিন্তা না করিয়া সত্যনারায়ণের প্রতি নির্ভর করিয়া…ভাগ্যভোগ ত্যাগ করিয়া নিত্য শান্তিময় সত্যকে পাইবেন। ……..চিন্তা করিবেন না। লোকের যাহা যখন ভোগ হইয়া থাকে সকলি সময় গতিকে হয়,তাহাতে বিচলিত না হইয়া ধৈর্য্যদ্বারা ভোগমুক্ত করিতে চেষ্টা করাই সত্যের সেবা জানিবেন।
বেদবাণী (২/১৫৩)
ঠাকুরের বিষয়ে জানতে আমি একখানা বই নিয়েছিলাম l বইটি খানিকটা পরে ছিলাম একটা লাইন আমার মনে খুব দাগ কেটেছে। বইটিতে লিখেছিল কোন দিব্য মহাপুরুষের সাথে দেখা করার সময় ফুল বা ফল যেকোনো একটি সামগ্রিক সাথে করে নিয়ে যাওয়া অবশ্যই জরুরি l
এর মানেই হলো আমরা যখনই মন্দিরে যাই না কেন কিছু পারি আর না পারি আমরা অবশ্যই ফুল নিয়েও যেতে পারি
নাম প্রাণে করে। ঘুমাইলে জীবের নাম হয়,সেই নাম জাগরণে বিলুপ্ত হইয়া বহু অংশে নানা আখ্যা ধারণ করিয়া নানান রুপ রসে আকৃষ্ট থাকায় নাম যে সর্ব্বদা হয় তাহা জানিতে না পারিয়া প্রকৃতির গুণের দ্বারায় মন বুদ্ধির বৈগুণ্যতা দ্বারা নানান বাসনা করিয়া বন্দী হইয়া পড়ে। তাতেই নানান উপাধি মন্ডিত হইয়া ভাগ্যবশে সুখদূ:খ জন্মমৃত্যু এড়াইতে পারে না। অতএব ধৈর্য্য ধরিয়া প্রাণের নিকট থাকিবেন,তবেই নাম শুনিতে পারিবেন।
বেদবাণী (২/১৭)
শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর
লোকের ভাগ্যগতিকেই নানান উপসর্গে পড়িয়া থাকে,সেইজন্য চিন্তা না করিয়া সত্যনারায়ণের প্রতি নির্ভর করিয়া…ভাগ্যভোগ ত্যাগ করিয়া নিত্য শান্তিময় সত্যকে পাইবেন। ……..চিন্তা করিবেন না। লোকের যাহা যখন ভোগ হইয়া থাকে সকলি সময় গতিকে হয়,তাহাতে বিচলিত না হইয়া ধৈর্য্যদ্বারা ভোগমুক্ত করিতে চেষ্টা করাই সত্যের সেবা জানিবেন।
বেদবাণী (২/১৫৩)
দেবদেবীর এতগুলি ফটো ঘরে রাখার দরকার কি?
অতুলবাবুর স্ত্রীর মনে মাঝে মাঝেই একটি প্রশ্ন প্রকট হয়ে উঠে।একদিন ঠাকুরকেই তা জিজ্ঞেস করে বসলেন, আপনার ভক্ত তো আপনার শ্রীচরণে সব দেবদেবীর পূজা করেন, তাহলে দেবদেবীর এতগুলি ফটো ঘরে রাখার দরকার কি?
সঙ্গে সঙ্গে ঠাকুর বলে উঠলেন, ক্যান আপনি কি একলা থাকতে ভালবাসেন? সেই রকম আমিও একলা থাকতে ভালবাসি না।ঠাকুর দেবতা কাহাকেও বিসর্জন দিতে নাই, আবার আবাহন কইরা আনিতে নাই।যে দেবতার আসার ইচ্ছা হয় সে নিজেই আসে।
পুরুষোত্তম শ্রীশ্রী রামঠাকুর, শ্রী মৃনাল কান্তি দাসগুপ্ত পৃষ্ঠা: ২১৭
ওঁম শ্রী হরি নারায়ণ মধুসূদন প্রণাম ঠাকুর, জয় শ্রীজগন্নাথ নারায়ণ প্রণাম মহাপ্রভু কৃপা কর দয়াল
Comments
Post a Comment